Monthly Archives: ফেব্রুয়ারি 2009

গরু সম্পর্কীয় একটি জটিল আপেক্ষিক বিশ্লেষণধর্মী অবতারনিকা

আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে গরু নামক চতুষ্পদ প্রাণীটি আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। নিরীহ প্রাণী হিসেবে গরু সর্বজন স্মীকৃত। শুধুমাত্র বিশেষ মহ্ল যারা ‘কসাই’ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন তারা কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ ব্যপারে দ্বিমত করে থাকেন। অদ্যাবধি দুই একটি ব্যাতিক্রম ছাড়া গরু চারপেয়ে প্রাণী হিসেবেই সহজলভ্য যার পিছন দিকে একটি লম্বা দড়ির ন্যায় লেজ রয়েছে। লেজের আগার চুলের রঙ চোখের পাপড়ির রঙের সংগে সামাঞ্জ্যাস্য পূর্ণ হয়ে থাকে।

আমাদের দেশের গ্রাম-গঞ্জে সচরাচর গরুর পালকে নদীর তীরে ঘাস খেতে দেখা যায়। নদীর প্রবাহমান জলধারার উচ্ছল গতির সৌন্দর্য আশেপাশের সবাইকে বিমোহিত করে।

বাংলাদেশের সৌন্দর্য লুকয়ায়িত এর প্রাণ উচ্ছল নদীগুলোর মাঝে। সৌন্দর্য একটি আপেক্ষীক ধারনা। আমরা সবাই কম বেশি সৌন্দর্যের সমঝদার। প্রেয়সীর শুধু একটি মন কাড়া হাসি অতলান্তিক জলধারায় নিজেকে নিমগ্ন করার উদগ্র বাসনার জন্ম দিতে পারে।

আমাদের দেশের সকল জলধারার জন্মই নিঃসীম হিমালয়ের গাংগোত্রী হিমবাহ হতে। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারনে এই হিমবাহ গুলো গলা শুরু করেছে। যা আমাদের জন্য আতঙ্কজনক। বিশেষভাবে অজ্ঞ ব্যক্তিগনের একদল বলছেন যে এতে বাংলাদেশ ডুবে যাবে। অরেকদল যথারীতি ভিন্ন মত উপস্থাপন করেছেন। তাদের যুক্তি প্রেমের মরা জলে ডুবে না। এতো মানুষের ভালবাসার বাংলাদেশ। প্রতিদিন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা এই ভালবাসার প্রানান্তর বহিঃপ্রকাশ করে থাকে। কবি গুরু ঘটনা আগেই আঁচ করতে পেরে বলে গিয়েছেন, “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।“

আমরা সাধারনরা আছি চাপে। একে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতির সার্বক্ষনিক চাপ আছেই। পৃথুল ব্যক্তিদের মাত্রাতিরিক্ত মেদ জনিত হৃদযন্ত্রের উপর চাপ। সংগে উচ্চনিম্ন বৈচিত্র্যময় রক্তের চাপ। বাঙ্গালী নানা ধরনার চাপে পর্যদুস্ত। এমনকি খেলার মাঠেও চাপ এবং তা সামলানোর নানা ধরনের কৌশল নিয়ে আলোচনা। যেকোন খেলার আগে পরে দেখবেন খেলোয়ারি জীবনের ইতি টেনে চোখের কোনায় এবং গলায় বৈচিত্র্যপূর্ন চামড়ার ভাঁজ নিয়ে পরিপাটি জামা কাপড় পরিধান করে ‘ক্ষুদ্র-দুরালাপন’ হাতে নিয়ে হেন কোন বিষয় নেই যা নিয়ে তাদের জ্ঞান গর্ভ বক্তব্য প্রদান পূর্বক আলোচনা করেন না।

আলোচনা আমাদের জীবনের এক আনন্দদায়ক অনুষংগ। বাঙ্গালী সব সহ্য করে নিবে মাথা পেতে কিন্তু কথা বলার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলে ঘটনা অন্য দিকে মোড় নিবে। রাজনীতিবিদগন সবসম্য এই সুযোগটা নিয়ে থাকে। তাই ক্ষমতাসীনরা সবসময় আস্বস্থ করে থাকে আলোচনার দ্বার সবসময় খোলা আছে।

Advertisements